ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে দেশবাসীকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশবাসীকে সব ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অনেক দেশ দাম বাড়ালেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। তাই বিচলিত না হয়ে রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক পর্যায়ে অপচয় বর্জন করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়। এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া আরও ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরস্কারের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে যারা অনন্য অবদান রাখছেন, তাদের এই রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা সরকারের নিয়মিত দায়িত্ব। এ বছর গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্তি দেশগঠনে তার অবদানেরই প্রতিফলন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণভোটের রায় ও অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবি

জ্বালানি সংকটে দেশবাসীকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৯:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশবাসীকে সব ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অনেক দেশ দাম বাড়ালেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। তাই বিচলিত না হয়ে রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক পর্যায়ে অপচয় বর্জন করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়। এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া আরও ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরস্কারের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে যারা অনন্য অবদান রাখছেন, তাদের এই রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা সরকারের নিয়মিত দায়িত্ব। এ বছর গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্তি দেশগঠনে তার অবদানেরই প্রতিফলন বলে তিনি উল্লেখ করেন।