ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি অগ্রহণযোগ্য: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরদিনই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক লাফে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহককে আগের চেয়ে ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল মাসের শুরুতেও একবার দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। শহরের সিংহভাগ মানুষ রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উস্কে দেবে। জ্বালানি তেল ও এলপিজির এই উচ্চহারে মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সাধারণ পরামর্শ হলো সরকারের ব্যয় কমানো। ব্যয় কমানোর সহজ উপায় হিসেবে সরকার প্রায়শই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করে। অথচ আইএমএফ রাজস্ব বৃদ্ধির পরামর্শও দেয়। কিন্তু সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পথে না হেঁটে সহজপন্থা হিসেবে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেয়। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও এর বহুমাত্রিক মূল্যস্ফীতির প্রভাব অনেক বেশি। যা প্রতিটি কেনাকাটায় একজন নাগরিককে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করে।

তিনি সরকারকে জনগণের ওপর বোঝার চাপ বাড়িয়ে সংকট সমাধানের পথে না হেঁটে, বরং জনগণের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে যদি দেশে তেলের দাম বৃদ্ধি করতে হয়, তাহলে বিশ্ববাজারে যখন তেলের দাম কমে তখন দেশেও তেলের দাম কমানোর নীতি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যে সকল পণ্যের দাম বেড়েছে, তা কমানোর ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কখনো দাম কমে না। তাই সরকারকে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করতে এবং মানুষের কষ্ট লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে লায়ন্স ক্লাব ও এসএএফের সমন্বিত উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প

জ্বালানি ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি অগ্রহণযোগ্য: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরদিনই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক লাফে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহককে আগের চেয়ে ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল মাসের শুরুতেও একবার দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। শহরের সিংহভাগ মানুষ রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উস্কে দেবে। জ্বালানি তেল ও এলপিজির এই উচ্চহারে মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সাধারণ পরামর্শ হলো সরকারের ব্যয় কমানো। ব্যয় কমানোর সহজ উপায় হিসেবে সরকার প্রায়শই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করে। অথচ আইএমএফ রাজস্ব বৃদ্ধির পরামর্শও দেয়। কিন্তু সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পথে না হেঁটে সহজপন্থা হিসেবে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেয়। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও এর বহুমাত্রিক মূল্যস্ফীতির প্রভাব অনেক বেশি। যা প্রতিটি কেনাকাটায় একজন নাগরিককে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করে।

তিনি সরকারকে জনগণের ওপর বোঝার চাপ বাড়িয়ে সংকট সমাধানের পথে না হেঁটে, বরং জনগণের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে যদি দেশে তেলের দাম বৃদ্ধি করতে হয়, তাহলে বিশ্ববাজারে যখন তেলের দাম কমে তখন দেশেও তেলের দাম কমানোর নীতি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যে সকল পণ্যের দাম বেড়েছে, তা কমানোর ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কখনো দাম কমে না। তাই সরকারকে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করতে এবং মানুষের কষ্ট লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।