ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

আক্কেল দাঁত কেন যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? কখন এটি তুলে ফেলা জরুরি

আক্কেল দাঁত বা ‘উইজডম টিথ’ মূলত মানুষের চোয়ালের একদম পেছনের দিকের দাঁত, যা মাড়ির তৃতীয় মোলার হিসেবে পরিচিত। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে ওপর ও নিচে মিলিয়ে মোট চারটি আক্কেল দাঁত গজায়। তবে এই দাঁত গজানোর সময় বা পরবর্তীকালে ব্যথায় ভোগেননি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

চোয়ালের গঠন ছোট হলে অনেক সময় আক্কেল দাঁত ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পায় না। ফলে এটি আংশিকভাবে বের হয় কিংবা পাশের দাঁতের দিকে হেলে থাকে, যা মাড়িতে তীব্র প্রদাহ ও ব্যথার সৃষ্টি করে। অনেক সময় এই দাঁতের চারপাশে সিস্ট তৈরি হয়ে চোয়ালের হাড় ও অন্যান্য দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ব্রাশ ঠিকমতো না পৌঁছানোর ফলে সেখানে খাদ্যকণা জমে ক্যাভিটি বা গর্ত তৈরি হয়, যা পরে সংক্রমণের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মাড়ি বা গাল ফোলা, মুখ পুরোপুরি খুলতে সমস্যা হওয়া, জ্বর এবং খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া—এসবই আক্কেল দাঁতের সমস্যার লক্ষণ। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এক্স-রের মাধ্যমে দাঁতের অবস্থান বুঝে চিকিৎসক মাড়ি কেটে জায়গা করে দেওয়া কিংবা রুট ক্যানেলের পরামর্শ দেন। তবে দাঁত যদি খুব বেশি বাঁকা থাকে বা হাড়ের ভেতর আটকে থাকে, তবে সার্জারির মাধ্যমে তা তুলে ফেলাই শ্রেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যুতে জামায়াতের গভীর শোক, সতর্কতামূলক পদক্ষেপের দাবি

আক্কেল দাঁত কেন যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? কখন এটি তুলে ফেলা জরুরি

আপডেট সময় : ০২:২৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

আক্কেল দাঁত বা ‘উইজডম টিথ’ মূলত মানুষের চোয়ালের একদম পেছনের দিকের দাঁত, যা মাড়ির তৃতীয় মোলার হিসেবে পরিচিত। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে ওপর ও নিচে মিলিয়ে মোট চারটি আক্কেল দাঁত গজায়। তবে এই দাঁত গজানোর সময় বা পরবর্তীকালে ব্যথায় ভোগেননি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

চোয়ালের গঠন ছোট হলে অনেক সময় আক্কেল দাঁত ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পায় না। ফলে এটি আংশিকভাবে বের হয় কিংবা পাশের দাঁতের দিকে হেলে থাকে, যা মাড়িতে তীব্র প্রদাহ ও ব্যথার সৃষ্টি করে। অনেক সময় এই দাঁতের চারপাশে সিস্ট তৈরি হয়ে চোয়ালের হাড় ও অন্যান্য দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ব্রাশ ঠিকমতো না পৌঁছানোর ফলে সেখানে খাদ্যকণা জমে ক্যাভিটি বা গর্ত তৈরি হয়, যা পরে সংক্রমণের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মাড়ি বা গাল ফোলা, মুখ পুরোপুরি খুলতে সমস্যা হওয়া, জ্বর এবং খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া—এসবই আক্কেল দাঁতের সমস্যার লক্ষণ। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এক্স-রের মাধ্যমে দাঁতের অবস্থান বুঝে চিকিৎসক মাড়ি কেটে জায়গা করে দেওয়া কিংবা রুট ক্যানেলের পরামর্শ দেন। তবে দাঁত যদি খুব বেশি বাঁকা থাকে বা হাড়ের ভেতর আটকে থাকে, তবে সার্জারির মাধ্যমে তা তুলে ফেলাই শ্রেয়।