ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

শ্মশান থেকে উদ্ধার সেই নবজাতক এখন সুস্থ, দত্তক নিতে আগ্রহী অনেকে

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় শ্মশান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই নবজাতক কন্যা শিশুটি এখন নতুন আশ্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। গত শনিবার উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের একটি শ্মশানে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক দম্পতি। তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক সেবা দেন এবং লালন-পালন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন। শিশুটিকে এক নজর দেখতে এবং দত্তক নিতে অনেকেই হাসপাতালে ভিড় করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিশুটির প্রকৃত অভিভাবকের সন্ধান পেতে এলাকায় মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো বৈধ দাবিদার পাওয়া না যায়, তবে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগ্রহী ও যোগ্য কোনো দম্পতির কাছে শিশুটিকে দত্তক দেওয়া হবে। বর্তমানে শিশুটির সার্বিক দেখাশোনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবলিক পরীক্ষায় দীর্ঘদিনের ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিল

শ্মশান থেকে উদ্ধার সেই নবজাতক এখন সুস্থ, দত্তক নিতে আগ্রহী অনেকে

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় শ্মশান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই নবজাতক কন্যা শিশুটি এখন নতুন আশ্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। গত শনিবার উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের একটি শ্মশানে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক দম্পতি। তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক সেবা দেন এবং লালন-পালন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া মেনে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন। শিশুটিকে এক নজর দেখতে এবং দত্তক নিতে অনেকেই হাসপাতালে ভিড় করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিশুটির প্রকৃত অভিভাবকের সন্ধান পেতে এলাকায় মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো বৈধ দাবিদার পাওয়া না যায়, তবে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগ্রহী ও যোগ্য কোনো দম্পতির কাছে শিশুটিকে দত্তক দেওয়া হবে। বর্তমানে শিশুটির সার্বিক দেখাশোনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগ।