জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান অভিযোগ করেছেন যে, বিএনপির কিছু অতি উৎসাহী সমর্থক তাকে বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আরও জানান, তার এবং তার স্ত্রীর মোবাইল নম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিব্রত ও হেনস্তা করা হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ প্রধান লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন তা একান্তই তার ব্যক্তিগত বা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাগপার বক্তব্য। এর সঙ্গে তাদের ১১ দলীয় জোটের কোনো সম্পর্ক নেই। যারা তার বক্তব্যকে জামায়াত বা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে প্রচার করছেন, তারা ভুল করছেন।
তিনি আরও বলেন, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে অতি উৎসাহী বিএনপি সমর্থকরা তাকে ফোনে গালিগালাজ করছেন এবং নানাভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতার এমন উদাহরণ আমরা আশা করিনি।’ তিনি বিএনপি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তার মৃত্যু হতে পারত, কিন্তু আল্লাহ তাকে দ্বিতীয় জীবন দিয়েছেন। তিনি মৃত্যুর ভয়ে রাজনীতি করেন না এবং নির্ধারিত সময়ের আগে কারো মৃত্যু হয় না।
রাশেদ প্রধান জানান, তার স্ত্রী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও শুধু তার সহধর্মিণী হওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্যের কারণে তার পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হচ্ছে, যা একটি গোষ্ঠীর রুচিবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার প্রয়াত দাদা, পাকিস্তান আমলের স্পিকার মুসলিম লীগ নেতা গমির উদ্দিন প্রধানকে রাজাকার বলা হচ্ছে, অথচ কোনো সরকার আমলে তার বিরুদ্ধে এমন অপবাদ কেউ দেয়নি। একইভাবে তার প্রয়াত পিতা জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানকেও রাজাকার বলা হচ্ছে, অথচ ইতিহাস বলে যে শফিউল আলম প্রধান ৭১ সালের ২৩ মার্চ দিনাজপুরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন এবং তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















