ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

পাবনায় নকল দুধ তৈরির কারখানায় অভিযান: ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড ও জরিমানা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ক্ষতিকর জেলি ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির দায়ে ফারুক হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক দুগ্ধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব নকল দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন নামি-দামি সিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে কারখানা থেকে প্রায় ২০০ লিটার ক্ষতিকর জেলি জব্দ করে তা জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের ধীরগতিতে আইএমএফের কিস্তি স্থগিত, বাংলাদেশের ঋণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

পাবনায় নকল দুধ তৈরির কারখানায় অভিযান: ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড ও জরিমানা

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ক্ষতিকর জেলি ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির দায়ে ফারুক হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক দুগ্ধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব নকল দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন নামি-দামি সিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে কারখানা থেকে প্রায় ২০০ লিটার ক্ষতিকর জেলি জব্দ করে তা জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।