ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

জল উৎসবের মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে সাড়ম্বরে শেষ হলো মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ

রাঙামাটির চিংহ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ বা পানি খেলার মাধ্যমে শেষ হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব ‘সাংগ্রাই’। মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।

উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল তরুণ-তরুণীদের একে অপরের ওপর পানি ছিটানোর দৃশ্য। মারমা সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র মৈত্রী জল দিয়ে পুরোনো বছরের সব গ্লানি ও দুঃখ ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান পরিবেশনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যা উৎসবকে ভিন্ন মাত্রা দান করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

জল উৎসবের মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে সাড়ম্বরে শেষ হলো মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রাঙামাটির চিংহ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ বা পানি খেলার মাধ্যমে শেষ হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব ‘সাংগ্রাই’। মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের সুষম উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।

উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল তরুণ-তরুণীদের একে অপরের ওপর পানি ছিটানোর দৃশ্য। মারমা সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পবিত্র মৈত্রী জল দিয়ে পুরোনো বছরের সব গ্লানি ও দুঃখ ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান পরিবেশনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যা উৎসবকে ভিন্ন মাত্রা দান করে।