পহেলা বৈশাখ কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির জাতীয় সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিটি জাতির নববর্ষ উদযাপনের পেছনে থাকে নিজস্ব ঐতিহ্যের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের স্পৃহা। তবে এই উদযাপনের সার্থকতা নির্ভর করে এর মূল চেতনাকে সঠিকভাবে অনুধাবনের ওপর। বিজাতীয় বা ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির প্রভাবে যেন আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ম্লান না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা একান্ত প্রয়োজন।
সংস্কৃতির প্রতিটি উপাদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা মূল্যবোধের প্রতিফলন। যখন কোনো উৎসব তার মূল মর্মার্থ হারিয়ে ফেলে, তখন তা কেবল একটি অর্থহীন আচারে পরিণত হয়। বাংলা নববর্ষের ক্ষেত্রেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে যেন এর অন্তর্নিহিত শক্তি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বজায় থাকে।
বাংলা সনের উৎপত্তির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এটি ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে এই অঞ্চলের স্বকীয়তা রক্ষার এক বলিষ্ঠ প্রয়াস হিসেবে চালু হয়েছিল। হিজরি ও চান্দ্র মাসের হিসাবের পাশাপাশি বাংলার নিজস্ব কৃষি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে এই বর্ষপঞ্জি তৈরি হয়। তাই নববর্ষের প্রতিটি আয়োজন যেন আমাদের জাতীয় প্রগতি ও আত্মমর্যাদাকে আরও সুসংহত করে, সেটাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 



















