বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের সকল বাংলাভাষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি পহেলা বৈশাখকে বাঙালির জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়। তিনি বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ কৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সাথে নববর্ষের নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যের জয়গান গান।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিভিন্ন সফলতার চিত্রও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার জনকল্যাণে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং খাল খনন কর্মসূচির মতো জনগুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে এই পহেলা বৈশাখ থেকেই ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি, যা আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মীয় গুরুদের জন্য চালু হওয়া আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির কথাও তিনি এই বার্তায় উল্লেখ করেন।
পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী চলমান সংকট ও সংঘাতের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চাকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষের সহনশীলতা ও উদারতা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থান সুদৃঢ় করবে। সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি তাঁর বার্তা শেষ করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















