মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সব বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সোমবার থেকে এই অবরোধ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে জাহাজ প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে এই কঠোরতা বজায় রাখা হলেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী অন্য দেশের জাহাজে কোনো বাধা দেওয়া হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ না করা এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা কোনো ধরনের হুমকির মুখে নতি স্বীকার করবেন না।
এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, তাদের পানিসীমায় যেকোনো উসকানিমূলক পদক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















