ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

কোন ছোট্ট ভুলে আকবরের কাছে হেরেছিলেন ভারতের নেপোলিয়ন

ভারতজুড়ে যখন মুসলিম শাসকদের প্রতাপ বাড়ছিল, সেই মধ্যযুগে অল্প সময়ের জন্য ‘হিন্দু রাজ’ প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব দেওয়া হয় একজনকে; যার নাম ছিল হিমু এবং তিনি ছিলেন ভারতের হরিয়ানার বাসিন্দা।

জীবনে মোট ২২টি যুদ্ধে বিজয়ী হন তিনি, যে কারণে অনেক ইতিহাসবিদ তাকে ‘মধ্যযুগের সমুদ্রগুপ্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। কেউ কেউ আবার তাকে ‘মধ্যযুগের নেপোলিয়ন’ বলেও উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন

হিমু যেমন ছিলেন দক্ষ যোদ্ধা, তেমনি ছিলেন বিচক্ষণ প্রশাসক। সহযোদ্ধা থেকে শুরু করে শত্রুপক্ষ—সবাই তার যুদ্ধদক্ষতা স্বীকার করতেন।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আর পি ত্রিপাঠী তার গ্রন্থ ‘রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য মুঘল এম্পায়ার’-এ লিখেছেন, ‘আকবরের হাতে হিমুর পরাজয় ছিল দুর্ভাগ্যজনক। ভাগ্য যদি তার অনুকূলে থাকত, এই পরাজয় তাকে স্বীকার করতে হতো না।’

আরেক খ্যাতিমান ইতিহাসবিদ আর সি মজুমদার শের শাহ-বিষয়ক বইয়ের একটি অধ্যায় ‘হিমু–আ ফরগটেন হিরো’ নামে লিখেছেন।

সেখানে লেখা হয়েছে, ‘পানিপথের যুদ্ধে একটি দুর্ঘটনার কারণে হিমুর নিশ্চিত বিজয় পরাজয়ে পরিণত হয়েছিল। তা না হলে দিল্লিতে মুঘলদের পরিবর্তে একটি হিন্দু রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হতেন তিনিই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ওয়ানডে জয়ে বাংলাদেশের সৈকত, আইসিসি চুক্তিতে নেই বিসিবির বাধা

কোন ছোট্ট ভুলে আকবরের কাছে হেরেছিলেন ভারতের নেপোলিয়ন

আপডেট সময় : ০৭:০০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতজুড়ে যখন মুসলিম শাসকদের প্রতাপ বাড়ছিল, সেই মধ্যযুগে অল্প সময়ের জন্য ‘হিন্দু রাজ’ প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব দেওয়া হয় একজনকে; যার নাম ছিল হিমু এবং তিনি ছিলেন ভারতের হরিয়ানার বাসিন্দা।

জীবনে মোট ২২টি যুদ্ধে বিজয়ী হন তিনি, যে কারণে অনেক ইতিহাসবিদ তাকে ‘মধ্যযুগের সমুদ্রগুপ্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। কেউ কেউ আবার তাকে ‘মধ্যযুগের নেপোলিয়ন’ বলেও উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন

হিমু যেমন ছিলেন দক্ষ যোদ্ধা, তেমনি ছিলেন বিচক্ষণ প্রশাসক। সহযোদ্ধা থেকে শুরু করে শত্রুপক্ষ—সবাই তার যুদ্ধদক্ষতা স্বীকার করতেন।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আর পি ত্রিপাঠী তার গ্রন্থ ‘রাইজ অ্যান্ড ফল অব দ্য মুঘল এম্পায়ার’-এ লিখেছেন, ‘আকবরের হাতে হিমুর পরাজয় ছিল দুর্ভাগ্যজনক। ভাগ্য যদি তার অনুকূলে থাকত, এই পরাজয় তাকে স্বীকার করতে হতো না।’

আরেক খ্যাতিমান ইতিহাসবিদ আর সি মজুমদার শের শাহ-বিষয়ক বইয়ের একটি অধ্যায় ‘হিমু–আ ফরগটেন হিরো’ নামে লিখেছেন।

সেখানে লেখা হয়েছে, ‘পানিপথের যুদ্ধে একটি দুর্ঘটনার কারণে হিমুর নিশ্চিত বিজয় পরাজয়ে পরিণত হয়েছিল। তা না হলে দিল্লিতে মুঘলদের পরিবর্তে একটি হিন্দু রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হতেন তিনিই।’