পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবে এখন আলোচনায় বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের শুরুতেই ইসলামাবাদে দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানের বৈঠকের পর এই যুদ্ধবিমান ক্রয় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে বড় ধরনের অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বছরের শুরুতেই পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু এবং বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানের সামরিক সংবাদমাধ্যম আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশ তাদের পুরনো বিমানবহর আধুনিকীকরণ এবং আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা উন্নত করতে পাকিস্তানের সহযোগিতা চেয়েছে। বিশেষ করে জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক-৩ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে যা বর্তমানে ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে সমাদৃত। এর পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে ‘সুপার মুশশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে পাকিস্তান।
শুধু বাংলাদেশ নয়, সৌদি আরবও প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ চুক্তিতে রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে। আজারবাইজান, নাইজেরিয়া এবং মিয়ানমার ইতোমধ্যে এই বিমান ব্যবহার করছে। কিন্তু কেন এই বিমানের দিকে ঝুঁকছে দেশগুলো? এর প্রধান কারণ হলো সাশ্রয়ী মূল্য। প্রতিটি জেএফ-১৭ বিমানের দাম ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর রাফায়েল বা এফ-৩৫ এর তুলনায় অনেক কম। এছাড়া পশ্চিমা দেশগুলোর মতো এই বিমান বিক্রিতে কোনো কঠিন রাজনৈতিক শর্ত বা নিষেধাজ্ঞা থাকে না, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একে একটি নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























