বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন এসেছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তারেক রহমানকে পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক জরুরি সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির এই বৈঠকটি পূর্বনির্ধারিত কোনো এজেন্ডা অনুযায়ী ছিল না। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলের চেইন অব কমান্ড সুসংহত করতে তারেক রহমানকে চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর অবশেষে তিনি পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। ওই বছরের ৬ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে পারেননি। গত ৩০ ডিসেম্বর তিনি ইন্তেকাল করার পর দলের নেতৃত্ব পুনর্গঠনের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
রিপোর্টারের নাম 
























