আপনি যে রাস্তায় বাইক চালান এবং আপনার Motorcycle এর অবস্থা এ দুটি বিষয়ের আপনার জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণের উপর প্রভাব রয়েছে। এখানে জ্বালানি সাশ্রয় এর ১০ টি উপায় রয়েছে যেগুলো আপনাকে জ্বালানি এবং অর্থ দুটোই বাঁচাতে সাহায্য করবে।
১। প্রতিদিন সকালে বাইক নিয়ে বের হওয়ার আগে ইঞ্জিন চালু করে এক থেকে দুই মিনিট রাখুন, এরপর আস্তে আস্তে বাইক চালানো শুরু করুন এবং বাইকে কম চাপ দিন। এতে ভালো মাইলেজ পাওয়া যাবে।
২। সঠিক নিয়মে, রাস্তা বুঝে যখন যে গিয়ার প্রয়োজন সেই গিয়ারে বাইক চালান। প্রথম গিয়ারে অযথা চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৩। শান্তভাবে বাইক চালান, হুট করে গতি বাড়ানো বা হুট করে ব্রেক করা পরিহার করুন। মসৃণ গতিতে বাইক চালালে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়।
৪। ধীরে ধীরে গতি বাড়ান, কারণ ইঞ্জিনের বেশি ঘূর্ণন মানেই বেশি পেট্রল ব্যবহার। সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্বে চালান, যা অপ্রয়োজনীয় গতি বৃদ্ধি ও ব্রেক করা কমিয়ে জ্বালানি বাঁচাবে।
৫। যদি ইঞ্জিন এক বা দুই মিনিটের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব হয়, তাহলে তা করুন। আধুনিক বাইক ইঞ্জিন চালু করলে খুব বেশি জ্বালানি নষ্ট করে না।
৬। ওভার স্পীডে বাইক চালানো পরিহার করুন এবং সব সময় চেষ্টা করুন বাইক ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার গতিতে চালাতে। এই গতিতে মাইলেজ ভালো পাওয়া যায় এবং বাইক নিয়ন্ত্রণ করাও সহজ হয়।
৭। কম প্রেশারে টায়ার বিপজ্জনক এবং জ্বালানির ব্যবহার বাড়ায়, তাই প্রতি মাসে অন্তত একবার এবং দীর্ঘ ভ্রমণের আগে টায়ারের প্রেশার পরীক্ষা করুন।
৮। কম ওজন নিয়ে ভ্রমণ করুন। মোটরসাইকেল যত বেশি ওজন বহন করবে তত বেশি জ্বালানি ব্যবহার করবে। দুইজনের বেশি যাত্রী বহন করা থেকে বিরত থাকুন।
৯। আপনার বাইককে নিয়মিত এবং ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করুন। উৎপাদকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সার্ভিসিং করান। দীর্ঘদিন সার্ভিসিং না করালে বাইকের মাইলেজ কমে যেতে পারে।
১০। যদি খুব বেশি প্রয়োজন না হয়, সেক্ষেত্রে মোটরসাইকেল কম ব্যবহার করুন। বাসার কাছাকাছি যাওয়ার জন্য বাইক নিয়ে যাওয়ার অভ্যাস পরিহার করুন।
রিপোর্টারের নাম 

























