ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ফেসবুকের ৩টি জরুরি নির্দেশনা

জনপ্রিয় সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সৃজনশীল কাজকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন ৩টি নির্দেশনা দিয়েছে। প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট অনলাইন কমিউনিটি ও ব্যবহারকারীর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এই ধারা আরও ত্বরান্বিত করতে এই নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক ক্রিয়েটরদের অভিবাদন জানিয়ে আরও বেশি অনুপ্রেরণামূলক কনটেন্ট তৈরি করতে উৎসাহিত করেছে।

ফেসবুক ক্রিয়েটরদের যে ৩টি বিষয় মাথায় রাখতে বলেছে:

১. সৃজনশীলতা ধরে রাখা: ক্রিয়েটরদের নিয়মিত ও ধারাবাহিক সৃজনশীলতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ এটি দর্শককে অনুপ্রাণিত করে এবং কনটেন্টের প্রতি আস্থা বাড়ায়।

২. তথ্যবহুল ও প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট: উদ্ভাবনী, তথ্যসমৃদ্ধ ও সময়োপযোগী কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে মান ও প্রাসঙ্গিকতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে গভীর সংযোগ তৈরি করে।

৩. ইতিবাচক প্রভাব: ক্রিয়েটরদের দায়িত্বশীল ও সামাজিকভাবে সহায়ক কনটেন্ট তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে অনলাইন কমিউনিটির ওপর ইতিবাচক প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়।

প্ল্যাটফর্মটির দাবি, এই উদ্যোগ ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে এবং নির্দেশনাগুলো মানসম্মত কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা করে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাও উন্নত করবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ওয়ানডে জয়ে বাংলাদেশের সৈকত, আইসিসি চুক্তিতে নেই বিসিবির বাধা

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ফেসবুকের ৩টি জরুরি নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০১:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

জনপ্রিয় সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সৃজনশীল কাজকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন ৩টি নির্দেশনা দিয়েছে। প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট অনলাইন কমিউনিটি ও ব্যবহারকারীর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এই ধারা আরও ত্বরান্বিত করতে এই নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক ক্রিয়েটরদের অভিবাদন জানিয়ে আরও বেশি অনুপ্রেরণামূলক কনটেন্ট তৈরি করতে উৎসাহিত করেছে।

ফেসবুক ক্রিয়েটরদের যে ৩টি বিষয় মাথায় রাখতে বলেছে:

১. সৃজনশীলতা ধরে রাখা: ক্রিয়েটরদের নিয়মিত ও ধারাবাহিক সৃজনশীলতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ এটি দর্শককে অনুপ্রাণিত করে এবং কনটেন্টের প্রতি আস্থা বাড়ায়।

২. তথ্যবহুল ও প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট: উদ্ভাবনী, তথ্যসমৃদ্ধ ও সময়োপযোগী কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে মান ও প্রাসঙ্গিকতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে গভীর সংযোগ তৈরি করে।

৩. ইতিবাচক প্রভাব: ক্রিয়েটরদের দায়িত্বশীল ও সামাজিকভাবে সহায়ক কনটেন্ট তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে অনলাইন কমিউনিটির ওপর ইতিবাচক প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়।

প্ল্যাটফর্মটির দাবি, এই উদ্যোগ ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে এবং নির্দেশনাগুলো মানসম্মত কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা করে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাও উন্নত করবে।