ঘরকে সুন্দর ও গোছানো করে সাজিয়ে রাখতে কমবেশি সবাই ভালোবাসেন। তবে গৃহসজ্জা মানেই যে ব্যয়বহুল কেনাকাটা বা চোখ ধাঁধানো দামি অনুষঙ্গ দিয়ে ঘর ভরে ফেলা এমনটা নয়। আপনার সাধ্যের ভেতরেই ঘরের সাজে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। এখানে স্বল্প আয়োজনে ঘরের সাজ বদলে ফেলার কিছু চমৎকার ধারণা দেওয়া হলো:
১. দেওয়ালে বা আসবাবে রঙের ছোঁয়া
- যদি সম্ভব হয়, দেওয়ালে নতুন রং ব্যবহার করুন। এক ঘরে রঙের দুটি শেড ব্যবহার করলে ঘরের চেহারা থেকে একঘেয়েমি কেটে যাবে এবং বৈচিত্র্য আসবে।
- যদি বাড়ি নিজের না হয় এবং দেওয়ালে রং করা সম্ভব না হয়, তবে পুরনো আসবাবপত্রে নতুন রঙের আঁচড় কেটে তার চেহারা বদলে দিন। এতে ঘরেও নতুন ভাব আসবে।
২. আসবাবপত্রের বিন্যাস বদল
- প্রতি দুই থেকে তিন মাস অন্তর আসবাবপত্রের জায়গা বদল করুন। এতে আপনার ঘরের ঝিমধরা ভাব কেটে যাবে।
- যদি ঘরে খুব বেশি আসবাব থাকে, তবে অপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস সরিয়ে ফেলুন। আসবাব কমিয়ে খোলা জায়গা ছেড়ে দিলে ঘরটি খোলামেলা ও সুন্দর দেখাবে।
- বসার ঘরের সোফা সেট পুরনো হলে নতুন কুশন সেট ব্যবহার করে পরিবর্তন আনুন। কুশনকভারের নকশা ও রং একদম অন্যরকম হলে পুরনো সোফায় নতুনত্ব আসবে।
৩. আয়নার ব্যবহার
- ঘর সাজাতে আয়না ব্যবহার করুন। এতে ঘরে আলোর আনাগোনা বাড়বে। আলোর বিপরীতে আয়না রাখলে ঘরের ভেতরটা ঝলমলে ও খোলামেলা দেখাবে।
- করিডরে একটি বড় বা দুটি/তিনটি ছোট আয়না ঝুলিয়ে দিতে পারেন। দেওয়ালের সাজ হিসেবেও আয়না দারুণ কাজে আসে।
৪. দেওয়াল সজ্জা
- দেওয়ালে ওয়াল স্টিকার বসিয়ে খুব সহজে ও কম খরচে ঘরের চেহারা পাল্টে ফেলা সম্ভব। ঘরের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একেক ঘরে একেক রকম স্টিকার ব্যবহার করুন।
- নিজের ছবি বা নানা রকম দেওয়ালচিত্র ব্যবহার করে ঘর সাজান। দেওয়ালের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন অনুসরণ করে ছবি সাজানো যায়, আবার এলোমেলোভাবে রাখলেও তা মন্দ লাগবে না। এতে ঘরটা হাসিখুশি দেখাবে।
৫. দেশজ মোটিফের উপস্থিতি
- ঘর সাজাতে দেশজ মোটিফের ব্যবহার করুন। নকশি পাখা, শীতল পাটি, ডালা, মাটির পুতুল, হাঁড়ি এমন দেশীয় জিনিসের উপস্থিতি আপনার গৃহসজ্জায় প্রাণবন্ত ভাব ফুটিয়ে তুলবে। এসব জিনিস কম খরচে ঘরের সাজে দারুণ ভিন্নতা আনতে পারে।
সাধ্য এবং ইচ্ছার সমন্বয়েই আপনার শান্তির নীড়কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 

























