বাংলার কৃষিসংস্কৃতি ও শস্যনির্ভর জীবনচর্চার প্রাচীনতম উৎসব নবান্নকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবর প্রাঙ্গণ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় মেতে উঠেছিল উৎসবের আমেজে। অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিনে আয়োজিত এই বর্ণিল আয়োজন নাচ, গান, কবিতা এবং নবান্নকথনের মাধ্যমে নাগরিক জীবনে এক ভিন্ন মাত্রা এনে দেয়।
রোববার বিকেল ৪টায় সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান লেখক ও শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।
‘ষড়ঋতু উদযাপন জাতীয় পর্ষদ’ আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন পর্বের পর একে একে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন। এর মধ্যে ছিল দলীয় ও একক নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, গান এবং কবিদের কণ্ঠে স্বরচিত কবিতাপাঠ।
উৎসবে গান পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, আলেয়া বেগম, কোহিনূর আক্তার গোলাপী, ডলি মণ্ডল এবং সাগর বাউল।
জাতীয় পর্ষদের আহ্বায়ক, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, “নবান্ন কেবল ফসলের আনন্দ নয়; এটি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের শক্তিশালী বাহক। আমরা চাই, এই উৎসব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবহমান থাকুক।”
পর্ষদের সদস্য-সচিব দীপান্ত রায়হান জানান, এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলার কৃষি–ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্ক স্থাপন করা।
রিপোর্টারের নাম 
























