নিজেদের নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ করছে চীন। বেইজিংয়ের এই উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে নৌ-আধিপত্যের লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে সম্প্রতি চীনের তৈরি ‘টাইপ-০৯৫’ মডেলের একটি বিশালাকার সাবমেরিনের দেখা মিলেছে, যা আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক ও শক্তিশালী।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইপ-০৯৫ সাবমেরিনটি প্রায় ১১০ মিটার দীর্ঘ এবং এর ওজন ৯ থেকে ১০ হাজার টন হতে পারে। এটি চীনের আগের সব সাবমেরিনকে ছাড়িয়ে যাবে। নতুন এই সাবমেরিনে অত্যাধুনিক হাইড্রোডাইনামিক নকশা এবং শব্দ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা পানির নিচে একে শত্রুপক্ষের রাডারে প্রায় অদৃশ্য করে রাখবে। এছাড়া এটি দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় সজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক সময় সাবমেরিন প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও চীন এখন দ্রুত সেই দূরত্ব কমিয়ে আনছে। টাইপ-০৯৫-এর অন্তর্ভুক্তি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌ-প্রভাবের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও এর বিস্তারিত সক্ষমতা সম্পর্কে বেইজিং গোপনীয়তা বজায় রাখছে, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন এটি চীনের সামরিক সক্ষমতায় নতুন এক মাইলফলক যোগ করবে।
রিপোর্টারের নাম 






















