ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, প্রার্থীর বর্জন ও পাল্টা অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) জাতীয় সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন চলছে ভোট গণনা।

তবে ভোটগ্রহণ শেষের এক ঘণ্টা আগে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পরেই সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি জামায়াতের ভোট বর্জনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন। রুবেল আরও বলেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনেই জামায়াত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভোট বর্জন করেছে।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ভোট বর্জনের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জানান, ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে এবং তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, প্রার্থীর বর্জন ও পাল্টা অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) জাতীয় সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন চলছে ভোট গণনা।

তবে ভোটগ্রহণ শেষের এক ঘণ্টা আগে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পরেই সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি জামায়াতের ভোট বর্জনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন। রুবেল আরও বলেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনেই জামায়াত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভোট বর্জন করেছে।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ভোট বর্জনের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জানান, ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে এবং তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন।