কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজ করিম বাবুলের দিকে। তিন বছর আগে থেকে এই হয়রানি শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, যা এখন চরমে পৌঁছেছে।
জানা যায়, জিয়াউল হক একজন গ্রাম্য ব্যবসায়ী। সাগরে ট্রলার পাঠিয়ে মাছ শিকার এবং জমি বর্গা নিয়ে চিংড়ি ঘেরে চাষ করাই তার মূল পেশা। তিনি সামাজিক অসংগতি নিয়েও কথা বলেন, যা তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার চিংড়ি ঘেরের দিকে লোভের দৃষ্টি পড়ে আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজ করিম বাবুলের। সেই থেকে বাবুল স্থানীয় ডাকাত ও গুন্ডা-পান্ডাদের ভাড়া করে ব্যবসায়ী জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে নানা অপতৎপরতা শুরু করেন। একে একে দুই ডজনের বেশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় জিয়াউল হককে। এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে, এলাকায় সামান্য ঘটনা ঘটলেও জিয়াউল হককে মামলার আসামি করা হচ্ছে। সম্প্রতি ঈদের ছুটিতেও তাকে আরও দুটি মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
মিথ্যা মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন জিয়াউল হক। তার স্ত্রী নিশাত তাজনিম রেশমী স্বামীর এমন দুর্দশার কথা তুলে ধরে বলেন, আমার স্বামী জিয়াউল হক একজন সাধারণ, পরিশ্রমী ব্যবসায়ী। তিনি কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জমিদার মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর কাছ থেকে বৈধভাবে জমি লিজ নিয়ে চিংড়িঘের ও লবণের মাঠের ব্যবসা করে আসছেন। এই ব্যবসার ওপর নির্ভর করেই আমাদের পরিবারসহ বহু শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহ হয়। কিন্তু হঠাৎ করে চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ।
তিনি দাবি করেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যারা ভূমিদস্যু, ডাকাত এবং রাজনৈতিক সুবিধাভোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত, তারা আমাদের বৈধভাবে দখলে থাকা চিংড়িঘের ও লবণের মাঠ জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টা শুরু করে। এই উদ্দেশ্যে তারা পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করতে থাকে। এখন পর্যন্ত ৩০টির বেশি মামলায় জিয়াউল হককে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি তার। রেশমীর দাবি, চৌফলদন্ডীতে সামান্য ঘটনা ঘটলেই জিয়াউল হকের নাম লাগিয়ে মামলা দায়ের করাচ্ছে ওই চক্রটি। তাদের মধ্যে আছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওয়াজ করিম বাবুলের ইন্ধনে রিয়াদ, মোহাম্মদ কালু, মমতাজ আহমদ, নুরুল আলম, সাকিল, জকির, জাহেদ, আলম, শাহজাহান, রবি আলম, নুরুচ্ছবিসহ মাফিয়া গ্রুপের অনেক বড় বড় সদস্য। এরা চিংড়ি
রিপোর্টারের নাম 
























