যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই ইরানে আনন্দের জোয়ার বইছে। বুধবার ভোররাতে তেহরানের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। উল্লাসে মেতে ওঠা অধিকাংশ মানুষের হাতেই ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা। কেউ কেউ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং তার প্রয়াত পিতা, সাবেক নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি নিয়ে এসেছিলেন। এছাড়া, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাও পোড়ানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি নারী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত শতবার নিজেদের আসল রূপ দেখিয়েছে। যখন তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, আমরা দুইবার আলোচনার টেবিলে গিয়েছি।’ তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধবিরতিকে ‘নিজেকে পুনরায় শক্তিশালী করতে’ ব্যবহার করতে পারে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বরূপ কি বদলে যাবে? তারা কেন রাজি হয়েছে সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই… বরাবরের মতোই, তারা ইসরাইলের জন্য সময় চায়।’
রয়টার্স জানিয়েছে, আরেকজন নারী প্রশ্ন তোলেন, ইরান কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করবে এবং কেন হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেবে? সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, ইরানের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্য বিবৃতিতে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা রাখতে তাদের অনিচ্ছা বারবার প্রকাশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, অতীতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চলাকালেই ইরানের ওপর হামলা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























