চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফৌজদারহাট–বায়েজিদ লিংক রোডের ওপর নির্মিত একটি স্থায়ী লোহার তোরণকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ব্যস্ত এই মহাসড়কের ওপর অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত তোরণটি সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, সাবেক চসিক মেয়র এম. মনজুর আলমের সৌজন্যে নির্মিত এই তোরণটি সড়কThe নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফৌজদারহাট লিংক রোডের প্রবেশমুখে একটি ব্রিজ পার হওয়ার পর সড়কের ওপর তোরণটি স্থাপন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ লোহার কাঠামোর এই তোরণটি বিভিন্ন ব্যানারে সজ্জিত এবং এর দুই পাশে গম্বুজ আকৃতির নকশা ও কারুকাজ রয়েছে। তোরণের কেন্দ্রে ‘হযরত গাউছুল আজম আহমদিয়া রহমানিয়া আশেকানে মাইজভান্ডারী (গেইট)’ লেখা রয়েছে এবং এর সৌজন্যে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইট-সিমেন্টের ঢালাই দিয়ে স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করায় এটি একটি স্থায়ী কাঠামোয় পরিণত হয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) সূত্রে জানা গেছে, এই তোরণ নির্মাণের জন্য কোনো ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সিডিএ কর্মকর্তারা এটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং সড়ক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, ব্যস্ত সড়কে এই তোরণ যান চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে উচ্চতাসম্পন্ন যানবাহন চলাচলের সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, তোরণটি সড়কের স্বাভাবিক দৃশ্যমানতাও ব্যাহত করছে।
এ বিষয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান নুরুল করিম জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রকৌশলী আসাদ বিন আনোয়ার বলেছেন, মহাসড়কের ওপর অনুমতি ছাড়া তোরণ নির্মাণ আইনবিরোধী এবং বিষয়টি সিডিএ চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























