ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলের বিরোধী নেতার মতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি এক ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’

ইসরাইলের প্রধান বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে এটিকে “রাজনৈতিক বিপর্যয়” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমাদের পুরো ইতিহাসে এমন রাজনৈতিক বিপর্যয় আর হয়নি। জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরাইল আলোচনার টেবিলের কাছেও ছিল না।” তিনি আরও বলেন, “সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন করেছে এবং জনগণ অসাধারণ ধৈর্য দেখিয়েছে। কিন্তু নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিজেই যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার কোনোটিই অর্জন করতে পারেননি।”

নেতানিয়াহু এই যুদ্ধে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা অন্তত গুরুতরভাবে দুর্বল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। তিনি এটিকে ইসরাইলের জন্য “অস্তিত্বগত হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করা, তেহরানের প্রভাব কমানো এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর শক্তি দুর্বল করার কথাও বলেন। লাপিডের মতে, “নেতানিয়াহুর ঔদ্ধত্য, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে ইসরাইলের বহু বছর লেগে যাবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও সরকারি ছুটি ফিরছে ৭ নভেম্বর: পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’

ইসরাইলের বিরোধী নেতার মতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি এক ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’

আপডেট সময় : ০২:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলের প্রধান বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে এটিকে “রাজনৈতিক বিপর্যয়” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমাদের পুরো ইতিহাসে এমন রাজনৈতিক বিপর্যয় আর হয়নি। জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরাইল আলোচনার টেবিলের কাছেও ছিল না।” তিনি আরও বলেন, “সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন করেছে এবং জনগণ অসাধারণ ধৈর্য দেখিয়েছে। কিন্তু নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিজেই যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার কোনোটিই অর্জন করতে পারেননি।”

নেতানিয়াহু এই যুদ্ধে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা অন্তত গুরুতরভাবে দুর্বল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। তিনি এটিকে ইসরাইলের জন্য “অস্তিত্বগত হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করা, তেহরানের প্রভাব কমানো এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর শক্তি দুর্বল করার কথাও বলেন। লাপিডের মতে, “নেতানিয়াহুর ঔদ্ধত্য, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে ইসরাইলের বহু বছর লেগে যাবে।”