ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কৃষিখাতে বড় পরিকল্পনা: ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও কৃষক কার্ডের ঘোষণা

দেশের কৃষিখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার রাজধানীর কৃষি ভবনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) আয়োজিত এক সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরই ৫ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

সভায় সারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং আমদানির ধারা অব্যাহত থাকায় সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সার পরিবহনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং ব্যয় কমাতে রেলপথ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছাতে শিগগিরই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। কৃষিখাতে সুষম উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এসব উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

কৃষিখাতে বড় পরিকল্পনা: ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও কৃষক কার্ডের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের কৃষিখাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সোমবার রাজধানীর কৃষি ভবনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) আয়োজিত এক সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরই ৫ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

সভায় সারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং আমদানির ধারা অব্যাহত থাকায় সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সার পরিবহনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং ব্যয় কমাতে রেলপথ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছাতে শিগগিরই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। কৃষিখাতে সুষম উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এসব উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।