ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

‘আমাদের কষ্ট বৃথা যাবে না’, সংস্কারমূলক অধ্যাদেশ নিয়ে আসিফ নজরুলের বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত বিভিন্ন সংস্কারমূলক অধ্যাদেশ ও আইন নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি বিশেষ পোস্ট দিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, দেশের মানুষের কল্যাণে তাদের করা এই কঠোর পরিশ্রমগুলো বিফলে যাবে না। মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোকে তিনি প্রকৃত সংস্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আসিফ নজরুল তার পোস্টে লেখেন, একসময় অনেকে এসব উদ্যোগকে ‘অধ্যাদেশের সরকার’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন এবং কেউ কেউ এসব আইনকে নির্বাচিত সরকারের জন্য ফেলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে যখন সাধারণ মানুষ ও সমালোচকরা এসব আইনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সেগুলো বহাল রাখার দাবি তুলছেন, তখন তার ভালো লাগছে। তিনি জানান, এসব আইন তৈরিতে আইন মন্ত্রণালয়ের একটি মেধাবী দল দিন-রাত নিরলস কাজ করেছে এবং তাকে অনেক প্রতিকূলতার মোকাবিলা করতে হয়েছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন করার সময় তাকে পদত্যাগের হুমকিও সইতে হয়েছিল।

সাবেক এই উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, কেবল আইন নয়, বরং রাজস্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবেশ রক্ষায়ও বেশ কিছু কার্যকর অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের স্বার্থে এবং প্রকৃত সংস্কারের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নাগরিকরা এসব আইন ও অধ্যাদেশ বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন থাকবেন। তার মতে, এসব জনকল্যাণমুখী আইন থেকে পিছিয়ে আসা এখন আর কারো পক্ষেই সম্ভব হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৯

‘আমাদের কষ্ট বৃথা যাবে না’, সংস্কারমূলক অধ্যাদেশ নিয়ে আসিফ নজরুলের বিশেষ বার্তা

আপডেট সময় : ০১:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত বিভিন্ন সংস্কারমূলক অধ্যাদেশ ও আইন নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি বিশেষ পোস্ট দিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, দেশের মানুষের কল্যাণে তাদের করা এই কঠোর পরিশ্রমগুলো বিফলে যাবে না। মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোকে তিনি প্রকৃত সংস্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আসিফ নজরুল তার পোস্টে লেখেন, একসময় অনেকে এসব উদ্যোগকে ‘অধ্যাদেশের সরকার’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন এবং কেউ কেউ এসব আইনকে নির্বাচিত সরকারের জন্য ফেলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে যখন সাধারণ মানুষ ও সমালোচকরা এসব আইনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সেগুলো বহাল রাখার দাবি তুলছেন, তখন তার ভালো লাগছে। তিনি জানান, এসব আইন তৈরিতে আইন মন্ত্রণালয়ের একটি মেধাবী দল দিন-রাত নিরলস কাজ করেছে এবং তাকে অনেক প্রতিকূলতার মোকাবিলা করতে হয়েছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন করার সময় তাকে পদত্যাগের হুমকিও সইতে হয়েছিল।

সাবেক এই উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, কেবল আইন নয়, বরং রাজস্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবেশ রক্ষায়ও বেশ কিছু কার্যকর অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের স্বার্থে এবং প্রকৃত সংস্কারের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নাগরিকরা এসব আইন ও অধ্যাদেশ বজায় রাখার বিষয়ে সচেতন থাকবেন। তার মতে, এসব জনকল্যাণমুখী আইন থেকে পিছিয়ে আসা এখন আর কারো পক্ষেই সম্ভব হবে না।