ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

নববর্ষের শোভাযাত্রা এবার ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের শোভাযাত্রা এখন থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। শনিবার (৪ এপ্রিল) মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে আধুনিক মানের জেলা ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তবে ভবিষ্যতে নববর্ষ উদযাপনের জন্য বৈশাখী শোভাযাত্রা নামেই এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, বাংলা নববর্ষ বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়। কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই এর আনন্দ উপভোগ করে। সরকার তাদের প্রতিও সেবা প্রদান করবে যারা ভোট দেয়নি।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলিয়া আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ। এরপর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

নববর্ষের শোভাযাত্রা এবার ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের শোভাযাত্রা এখন থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। শনিবার (৪ এপ্রিল) মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে আধুনিক মানের জেলা ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তবে ভবিষ্যতে নববর্ষ উদযাপনের জন্য বৈশাখী শোভাযাত্রা নামেই এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, বাংলা নববর্ষ বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়। কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই এর আনন্দ উপভোগ করে। সরকার তাদের প্রতিও সেবা প্রদান করবে যারা ভোট দেয়নি।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলিয়া আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ। এরপর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।