ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

দোকানপাট বন্ধের সময়সীমা রাত ৮টা পর্যন্ত করার দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারি সিদ্ধান্তে দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধের ঘোষণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই সময়সীমা পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বিশেষ আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

ব্যবসায়ী নেতারা প্রস্তাব করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খোলা এবং সন্ধ্যা ৬টার বদলে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তাদের মতে, দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং আড়াই কোটি শ্রমিকের জীবন-জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। হুট করে দোকান বন্ধের সময় কমিয়ে আনলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা।

এক যৌথ বিবৃতিতে সমিতির নেতারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হলেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা জরুরি। তারা আশা করছেন, সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

দোকানপাট বন্ধের সময়সীমা রাত ৮টা পর্যন্ত করার দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের

আপডেট সময় : ০১:২২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারি সিদ্ধান্তে দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধের ঘোষণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই সময়সীমা পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বিশেষ আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

ব্যবসায়ী নেতারা প্রস্তাব করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খোলা এবং সন্ধ্যা ৬টার বদলে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তাদের মতে, দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং আড়াই কোটি শ্রমিকের জীবন-জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। হুট করে দোকান বন্ধের সময় কমিয়ে আনলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা।

এক যৌথ বিবৃতিতে সমিতির নেতারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হলেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা জরুরি। তারা আশা করছেন, সরকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।