দেশে ডিজেলের তীব্র ঘাটতির কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে রেলের হাতে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে বড়জোর ১৮ থেকে ২২ দিন ট্রেন চালানো সম্ভব হতে পারে। এই সংকট নিরসন না হলে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, প্রতি মাসে রেলের প্রায় ৫০ লাখ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মালবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বন্দরে কনটেইনার জট সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পাঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রেলের ডিজেলের ওপর অতিনির্ভরতা পুরো লজিস্টিক ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে খাদ্যশস্য, সার ও শিল্পের কাঁচামাল পরিবহন ব্যাহত হবে, যার ফলে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
রিপোর্টারের নাম 
























