সরকার পরিচালনায় ব্যস্ততা এবং মাঠের কর্মকাণ্ডে ভাটার কারণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাজনীতিতে এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে এই প্রভাব বেশি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দলটি তাদের সাংগঠনিক শক্তিকে পুনরায় চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকমান্ড নেতৃত্বের পুনর্বিন্যাস এবং দলীয় কর্মকাণ্ড জোরদার করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশানে দলের প্রধানের কার্যালয় নতুন করে সাজানো হয়েছে, যা দলের পুনরুজ্জীবনের একটি বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ নেতারা। সরকার গঠনের পর যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্যই সংগঠনের গতি ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। দায়িত্বের ভার বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দলীয় কার্যক্রম অনেক সময় পিছিয়ে পড়ে। সদ্য ক্ষমতায় আসা বিএনপিও এর ব্যতিক্রম নয়।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগই এখন সরকারের অংশ হওয়ায় দলীয় কর্মকাণ্ডে আগের মতো সময় দিতে পারছেন না। এছাড়া, নেতাকর্মীদের একটি অংশ ব্যক্তিগত সুবিধা ও প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টায় ব্যস্ত থাকায় সংগঠনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়েছে। এর ফলে রাজনৈতিক কর্মসূচি, আদর্শিক চর্চা এবং সংগঠন শক্তিশালী করার কাজ কিছুটা ধীরগতিতে চলছে। এই প্রভাব তৃণমূল পর্যায়েও দেখা যাচ্ছে, যেখানে কর্মীদের মধ্যে আগের মতো উদ্দীপনা ও সক্রিয়তা কম। অনেক নেতাকর্মী হাইকমান্ডের দিকনির্দেশনার অভাবে কিছুটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























