ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘শেখ হাসিনার পক্ষে’ পাঠানো চিঠি ভুয়া: চিফ প্রসিকিউটর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনাল বা প্রসিকিউশনের ইমেইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার পক্ষে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চিঠি আসেনি। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপে এমন একটি চিঠির কপি পেয়েছেন, যা তার মতে ভুয়া প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, চিঠির কপিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল’ ঠিকানা লেখা থাকলেও সম্বোধনে ‘ডিয়ার আইসিটি’ লেখা হয়েছে। তার মতে, এটি অত্যন্ত অপরিপক্ক একটি চিঠি এবং এর মাধ্যমে বোঝা যায় প্রেরক আইনগত সম্বোধনের রীতি সম্পর্কে অজ্ঞ। ব্রিটিশ কোনো ল’ফার্ম এমন ভুল করবে না, তাই এটি একটি ভুয়া চিঠি বলেই মনে হচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, যদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি আসত, তবে সেটি যাচাই-বাছাই করা যেত। তবে এমন উড়ো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বিতর্কিত হবে না বা বন্ধও হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক আসামি। আইনগতভাবে কোনো পলাতক আসামির পক্ষে কোনো ল’ফার্মের কথা বলার সুযোগ নেই।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যদি এই জাতীয় কোনো ফার্ম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালে চিঠি আসে, তবে সেই চিঠির ভাষা ও বক্তব্য আদালত অবমাননার শামিল বলে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রে ওই ফার্মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিমা সুবিধা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চুক্তি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘শেখ হাসিনার পক্ষে’ পাঠানো চিঠি ভুয়া: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনাল বা প্রসিকিউশনের ইমেইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার পক্ষে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চিঠি আসেনি। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপে এমন একটি চিঠির কপি পেয়েছেন, যা তার মতে ভুয়া প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, চিঠির কপিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল’ ঠিকানা লেখা থাকলেও সম্বোধনে ‘ডিয়ার আইসিটি’ লেখা হয়েছে। তার মতে, এটি অত্যন্ত অপরিপক্ক একটি চিঠি এবং এর মাধ্যমে বোঝা যায় প্রেরক আইনগত সম্বোধনের রীতি সম্পর্কে অজ্ঞ। ব্রিটিশ কোনো ল’ফার্ম এমন ভুল করবে না, তাই এটি একটি ভুয়া চিঠি বলেই মনে হচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, যদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি আসত, তবে সেটি যাচাই-বাছাই করা যেত। তবে এমন উড়ো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বিতর্কিত হবে না বা বন্ধও হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক আসামি। আইনগতভাবে কোনো পলাতক আসামির পক্ষে কোনো ল’ফার্মের কথা বলার সুযোগ নেই।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যদি এই জাতীয় কোনো ফার্ম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালে চিঠি আসে, তবে সেই চিঠির ভাষা ও বক্তব্য আদালত অবমাননার শামিল বলে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রে ওই ফার্মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।