ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা: সরকারের প্রতি জামায়াত নেতার কঠোর হুঁশিয়ারি, ফের আন্দোলনের হুমকি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার গড়িমসি করলে জনগণ আবারও রাজপথে নেমে নতুন করে আন্দোলন শুরু করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি সরকারকে সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে গণরায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনপূর্বক জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অন্যথায় তাদের জন্য করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে বলেও সতর্ক করেন এই জামায়াত নেতা।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর থানা দক্ষিণ ও তেজগাঁও দক্ষিণ থানার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতনের পর প্রত্যাশা করা হয়েছিল দেশে আইনের শাসন ও সকল ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ফিরে আসবে এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের ফ্যাসিবাদী হওয়ার সুপ্ত বাসনা থেকেই আমাদের সব অর্জন বিফলে যেতে বসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটকে অসাংবিধানিক বলছে, অথচ একই অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে বৈধ বলে স্বীকার করছে। এসব করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তেজগাঁও দক্ষিণ থানা আমির ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদীর সভাপতিত্বে এবং শের-ই-বাংলা নগর দক্ষিণ থানা আমির আবু সাঈদ মণ্ডলের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসাইন ও মো. আতাউর রহমান সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদের পক্ষে ৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণরায় প্রদান করলেও সরকার তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতির গণভোট অধ্যাদেশ জারির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা: সরকারের প্রতি জামায়াত নেতার কঠোর হুঁশিয়ারি, ফের আন্দোলনের হুমকি

আপডেট সময় : ০২:১৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার গড়িমসি করলে জনগণ আবারও রাজপথে নেমে নতুন করে আন্দোলন শুরু করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি সরকারকে সময় থাকতে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে গণরায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনপূর্বক জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অন্যথায় তাদের জন্য করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে বলেও সতর্ক করেন এই জামায়াত নেতা।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর থানা দক্ষিণ ও তেজগাঁও দক্ষিণ থানার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতনের পর প্রত্যাশা করা হয়েছিল দেশে আইনের শাসন ও সকল ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ফিরে আসবে এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের ফ্যাসিবাদী হওয়ার সুপ্ত বাসনা থেকেই আমাদের সব অর্জন বিফলে যেতে বসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটকে অসাংবিধানিক বলছে, অথচ একই অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে বৈধ বলে স্বীকার করছে। এসব করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তেজগাঁও দক্ষিণ থানা আমির ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদীর সভাপতিত্বে এবং শের-ই-বাংলা নগর দক্ষিণ থানা আমির আবু সাঈদ মণ্ডলের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসাইন ও মো. আতাউর রহমান সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই সনদের পক্ষে ৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণরায় প্রদান করলেও সরকার তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতির গণভোট অধ্যাদেশ জারির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।