মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দ্বিতীয় মাসে এসে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—চীন কি পারবে এই সংঘাত থামাতে? যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ও চীন যৌথভাবে একটি পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে, যার মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করা।
বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে এই সংঘাত চীনের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে চীনের রপ্তানি বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বেইজিং এখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে। ইতিপূর্বে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্স্থাপনে চীন সফল ভূমিকা রাখলেও বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপট অনেক বেশি জটিল।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাতে জড়াতে চায় না, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। যদিও এই শান্তি প্রস্তাবে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া পাওয়া যায়নি, তবে চীন নিজেকে একজন নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















