ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মোংলায় খেয়া পারাপারের সময় অতিরিক্ত ভিড়ে আহত দুই শতাধিক শ্রমিক, আতঙ্কে কর্মীরা

বাগেরহাটের মোংলায় খেয়া পারাপারের সময় অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মোংলা ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বুধবার সকালে শ্রমিকরা নদী পার হয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় অতিরিক্ত ভিড় এবং অব্যবস্থাপনার জেরে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রমতে, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে অনেক শ্রমিক নদীতে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে খেয়া পারাপারে অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত যাত্রী চাপ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবের কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। শ্রমিকরা আরও বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের নদী পার হতে হয়। এত বড় দুর্ঘটনার পরও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো স্থায়ী সমাধান আসছে না।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসক শারমীন আক্তার সুমি জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পারাপার ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দ্রুত নিরাপদ পারাপারের স্থায়ী সমাধান না হলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাজ্যের, আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত

মোংলায় খেয়া পারাপারের সময় অতিরিক্ত ভিড়ে আহত দুই শতাধিক শ্রমিক, আতঙ্কে কর্মীরা

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলায় খেয়া পারাপারের সময় অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় মোংলা ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বুধবার সকালে শ্রমিকরা নদী পার হয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় অতিরিক্ত ভিড় এবং অব্যবস্থাপনার জেরে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রমতে, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে অনেক শ্রমিক নদীতে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে খেয়া পারাপারে অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত যাত্রী চাপ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবের কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। শ্রমিকরা আরও বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের নদী পার হতে হয়। এত বড় দুর্ঘটনার পরও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো স্থায়ী সমাধান আসছে না।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসক শারমীন আক্তার সুমি জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পারাপার ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দ্রুত নিরাপদ পারাপারের স্থায়ী সমাধান না হলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।