ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ভঙ্গুর অর্থনীতি, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ও যুদ্ধ—আগামী বাজেট প্রণয়ন কঠিন হবে: অর্থমন্ত্রী

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত। এর ওপর নতুন সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই সঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সবকিছুকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই সব কারণ মিলিয়ে আগামী বাজেট প্রণয়নে সরকারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করতে চায় যেখানে একদিকে রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আগামী বাজেটকে সামনে রেখে দিকনির্দেশনা দিতেই তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে গিয়েছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে লক্ষ্য হিসেবে সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সম্পদের জোগান নিশ্চিত করতে হবে। তবে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত বাড়তি ব্যয় এবং জ্বালানি আমদানিতে দ্বিগুণ খরচ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার টাকা ছাপাতে চায় না এবং ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে আগ্রহী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

ভঙ্গুর অর্থনীতি, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ও যুদ্ধ—আগামী বাজেট প্রণয়ন কঠিন হবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই বিভিন্ন সংকটে জর্জরিত। এর ওপর নতুন সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই সঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সবকিছুকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই সব কারণ মিলিয়ে আগামী বাজেট প্রণয়নে সরকারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করতে চায় যেখানে একদিকে রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আগামী বাজেটকে সামনে রেখে দিকনির্দেশনা দিতেই তিনি প্রথমবারের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে গিয়েছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে লক্ষ্য হিসেবে সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সম্পদের জোগান নিশ্চিত করতে হবে। তবে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত বাড়তি ব্যয় এবং জ্বালানি আমদানিতে দ্বিগুণ খরচ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার টাকা ছাপাতে চায় না এবং ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে আগ্রহী।