নীলফামারীর জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ে প্রায় ৩৮ হেক্টর জমির ভুট্টা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে বৃষ্টির সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে জলঢাকা উপজেলার তিনটি এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঝড়ে বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কিশোরগঞ্জ নেসকো কার্যালয় থেকে জলঢাকার টেংগনমারী এলাকা পর্যন্ত বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের চারটি ওয়ার্ডে প্রায় ১০০ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে এবং প্রায় ২০০ ঘরবাড়ি হেলে পড়েছে। এছাড়াও, বিপুল পরিমাণ ভুট্টাক্ষেত সম্পূর্ণ হেলে পড়াসহ অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, গভীর রাতের ঝড়ে ঘরের চালা উড়ে যায় এবং গাছ ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে, তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
পুটিমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সায়েম জানান, তার ইউনিয়নে প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং অসংখ্য ঘরবাড়ি হেলে পড়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমির ভুট্টাক্ষেত হেলে পড়েছে, যার মধ্যে ১২ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান জানান, প্রায় ৪০টি পরিবারের ৮০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্ষতি নিরূপণে মাঠে কাজ চলছে। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা, ধর্মপাল ও গোলনা ইউনিয়নেও প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























