সম্প্রতি দিল্লির একটি আদালত কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী ও দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবি এবং তাঁর দুই সহকর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এই রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিস অবিলম্বে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিসের সভানেত্রী নাসরিন কাদের ও সাধারণ সম্পাদিকা রায়হানা লোপা বলেছেন, ভারত সরকার কাশ্মীরী জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার হরণ করে সেখানে অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাচ্ছে। ভারতের এই নির্মম নির্যাতন থেকে নারী-শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। এর সর্বশেষ উদাহরণ হলো, কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবিকে নিবর্তনমূলক ইউএপিএ আইনের মামলায় দিল্লির একটি বিশেষ আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। তাঁর দুই সহকর্মী সেফি ফাহমিদা ও নাহিদা নাসরিনকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কাশ্মীরি নারীদের ওপর ভারতীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আছিয়া আন্দ্রাবিকে ২০০৮ সাল থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তাঁর স্বামী, কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী রাজনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ কাশিমও দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে কারাবন্দি। ভারতের এই অন্যায় ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্বের স্বাধীনতাকামী ও নারী সংগঠনগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মহিলা মজলিসের নেত্রীদ্বয় অবিলম্বে আছিয়া আন্দ্রাবি ও তাঁর দুই সহকর্মীকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান। একইসাথে, বিশ্ববাসীকে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে কাশ্মীরী জনগণের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























