ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার তাগিদ মির্জা ফখরুলের

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রেখে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে চান এবং এই লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নবনির্বাচিত পর্ষদদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “শুধু খেলাধুলা নয়, খেলোয়াড়রা যেন এটিকে একটি পেশা হিসেবে নিতে পারে—সেই ভাবনাও প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে এবং তিনি সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। ভাতা দেওয়া বা সম্মাননা দেওয়া বড় কথা নয়, বড় বিষয় হলো ভবিষ্যতে খেলোয়াড়রা যেন খেলাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।”

তিনি বলেন, “আমরা সবসময় মনে করেছি, খেলাধুলায় কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয়। রাজনীতির কারণে কোনো মেধাবী খেলোয়াড় দল থেকে বা জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে সেটি সবচেয়ে কষ্টের বিষয়। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

ক্রীড়ামন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের তরুণ ক্রীড়ামন্ত্রী, যিনি নিজেও একজন দক্ষ ও বরেণ্য ফুটবলার ছিলেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন—তাকে অনুরোধ করব, তিনি যেন এই বিষয়টির দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখেন। যদি আমরা ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে পারি, তাহলে অবশ্যই সফল হব।”

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেটাই চান এবং সেটাই তিনি বলেছেন।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার তাগিদ মির্জা ফখরুলের

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রেখে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে চান এবং এই লক্ষ্যেই কাজ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নবনির্বাচিত পর্ষদদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “শুধু খেলাধুলা নয়, খেলোয়াড়রা যেন এটিকে একটি পেশা হিসেবে নিতে পারে—সেই ভাবনাও প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে এবং তিনি সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। ভাতা দেওয়া বা সম্মাননা দেওয়া বড় কথা নয়, বড় বিষয় হলো ভবিষ্যতে খেলোয়াড়রা যেন খেলাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।”

তিনি বলেন, “আমরা সবসময় মনে করেছি, খেলাধুলায় কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয়। রাজনীতির কারণে কোনো মেধাবী খেলোয়াড় দল থেকে বা জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে সেটি সবচেয়ে কষ্টের বিষয়। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

ক্রীড়ামন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের তরুণ ক্রীড়ামন্ত্রী, যিনি নিজেও একজন দক্ষ ও বরেণ্য ফুটবলার ছিলেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন—তাকে অনুরোধ করব, তিনি যেন এই বিষয়টির দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখেন। যদি আমরা ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে পারি, তাহলে অবশ্যই সফল হব।”

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সেটাই চান এবং সেটাই তিনি বলেছেন।”