ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে ৪৭ দেশের অকুণ্ঠ সমর্থন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে ৪৭টি দেশ পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। এই দেশগুলো বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দনও জানিয়েছে।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি এসব দেশ অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি শ্রম খাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করেছিল। দাখিলকৃত এই রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ করে।

সোমবার মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সকল দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ এবং মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে।

মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত গভর্নিং বডির সকল সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে ৪৭ দেশের অকুণ্ঠ সমর্থন

আপডেট সময় : ০২:১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডি অধিবেশনে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে ৪৭টি দেশ পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। এই দেশগুলো বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দনও জানিয়েছে।

একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি এসব দেশ অকুণ্ঠ সমর্থন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ শাসনামলে ২০১৯ সালের জুন মাসে আইএলও কনভেনশন ৮১, ৮৭ ও ৯৮ প্রতিপালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সংস্থাটির সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সরকার ২০২১ সালে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি শ্রম খাত সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে আইএলওর গভর্নিং বডিতে দাখিল করেছিল। দাখিলকৃত এই রোডম্যাপে অর্জিত অগ্রগতির বিষয়ে গত পাঁচ বছরে গভর্নিং বডির আটটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বর্তমান সরকার নবম অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ করে।

সোমবার মামলাটির আলোচনায় অংশ নিয়ে সকল দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমান সরকারের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সংস্থাটির ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির ১৯টি রাষ্ট্র, দুটি আঞ্চলিক গ্রুপভুক্ত ২৮টি দেশ এবং মালিকপক্ষ শ্রম খাত উন্নয়নে নতুন সরকারের সুদৃঢ় আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কারের অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করে চলমান মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে।

মামলা সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশগ্রহণ করেন। জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ও শ্রমসচিব আব্দুর রহমান তরফদারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত গভর্নিং বডির সকল সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং শ্রম অধিকার, শ্রমিক সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন। উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের জনগণ আমাদের নির্বাচিত সরকারকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেছে।