ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবের ঘাঁটিতে হামলা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে ধ্বংস মার্কিন ‘ফ্লাইং রাডার’ বিমান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘ফ্লাইং রাডার’ বিমান ধ্বংস হয়েছে। এই হামলায় ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং একাধিক সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মধ্যে একটি ই–৩ সেন্ট্রি বিমানও রয়েছে, যা আকাশভিত্তিক সতর্কীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বর্তমানে সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত ই–৩ সেন্ট্রি বিমানের সংখ্যা মাত্র ১৬টি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিটি ই–৩ সেন্ট্রি বিমান তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার) ব্যয় হয়। এই বিমান যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শত শত মাইল দূর থেকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য বিমান শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব বিমান কমান্ডারদের যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র সরবরাহ করে এবং সেই অনুযায়ী সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে হুমকি প্রতিহত করার নির্দেশনা দিতে সহায়তা করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের ঘাঁটিতে হামলা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে ধ্বংস মার্কিন ‘ফ্লাইং রাডার’ বিমান

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘ফ্লাইং রাডার’ বিমান ধ্বংস হয়েছে। এই হামলায় ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং একাধিক সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মধ্যে একটি ই–৩ সেন্ট্রি বিমানও রয়েছে, যা আকাশভিত্তিক সতর্কীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বর্তমানে সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত ই–৩ সেন্ট্রি বিমানের সংখ্যা মাত্র ১৬টি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিটি ই–৩ সেন্ট্রি বিমান তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার) ব্যয় হয়। এই বিমান যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শত শত মাইল দূর থেকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য বিমান শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব বিমান কমান্ডারদের যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র সরবরাহ করে এবং সেই অনুযায়ী সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে হুমকি প্রতিহত করার নির্দেশনা দিতে সহায়তা করে।