লালমনিরহাটের পাটগ্রামে জামায়াতে ইসলামী পৌর আমির সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম।
মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ২০১৩-১৪ সালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় বর্তমান সরকারের আমলে একজন সক্রিয় রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করা দুঃখজনক। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের হয়রানি এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের হামলায় নিহত জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হত্যা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন শহীদের পিতার বিরুদ্ধে এবং সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিল। তার মতে, বর্তমান ক্ষমতাসীন দলকে সন্তুষ্ট করার জন্যই মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সোহেল রানাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করেছে।
এছাড়া, গত ২২ মার্চ রাতে পাটগ্রাম ইউনিয়নের কালিরহাট এলাকায় ছাত্র শিবিরের কর্মী মো. সাকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা করে গুরুতর আহত করে বলে তিনি জানান। পুলিশের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন যে, অপরাধীদের গ্রেফতার না করে আহত সাকিবকে চিকিৎসা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়েছে। সাকিবের পিতাসহ কয়েকজন থানায় মামলা করতে গেলে তাদেরও গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাগুলো পুলিশের দলীয় লেজুরবৃত্তির প্রমাণ বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং এর তীব্র নিন্দা জানান।
মাওলানা আবদুল হালিম অবিলম্বে সোহেল রানার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি দল নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলের মতো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























