ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: ডা. জুবাইদা রহমান

শিশুদের শিক্ষায় নিরাপদ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তাদের বিকাশের লক্ষ্যে গঠিত বৈশ্বিক জোট ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’-এ যোগ দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক প্রয়োগ শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, যেখানে যোগ্য শিক্ষকের অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন যে, সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল যুগের উপযোগী শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিক্ষকদের জন্য ট্যাব ও কম্পিউটার বিতরণ, পাঠ্যসূচি আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল কারিকুলাম প্রবর্তন এবং শিক্ষাদানে নতুন উদ্ভাবনী পদ্ধতির ব্যবহার—এসবই এই উদ্যোগের অংশ। শ্রেণিকক্ষগুলোতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের সংযোজন শিক্ষার্থীদের দলবদ্ধ কাজ, সৃজনশীলতা ও নৈতিক বিকাশে সহায়তা করছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমাতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তির নৈতিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন, যাতে শিশুরা একটি সুরক্ষিত ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে। চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনের শুরু থেকেই তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের গুরুত্বের ওপরও তিনি আলোকপাত করেন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা শিক্ষা, চিকিৎসা ও যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো উদ্যোগগুলো আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পরিবারগুলোকে শক্তিশালী করছে এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্নেহময় পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করছে। তিনি নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং বলেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করেছেন এবং মেয়েদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: ডা. জুবাইদা রহমান

আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

শিশুদের শিক্ষায় নিরাপদ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তাদের বিকাশের লক্ষ্যে গঠিত বৈশ্বিক জোট ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’-এ যোগ দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক প্রয়োগ শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, যেখানে যোগ্য শিক্ষকের অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন যে, সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল যুগের উপযোগী শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিক্ষকদের জন্য ট্যাব ও কম্পিউটার বিতরণ, পাঠ্যসূচি আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল কারিকুলাম প্রবর্তন এবং শিক্ষাদানে নতুন উদ্ভাবনী পদ্ধতির ব্যবহার—এসবই এই উদ্যোগের অংশ। শ্রেণিকক্ষগুলোতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের সংযোজন শিক্ষার্থীদের দলবদ্ধ কাজ, সৃজনশীলতা ও নৈতিক বিকাশে সহায়তা করছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমাতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তির নৈতিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন, যাতে শিশুরা একটি সুরক্ষিত ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে। চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনের শুরু থেকেই তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের গুরুত্বের ওপরও তিনি আলোকপাত করেন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা শিক্ষা, চিকিৎসা ও যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো উদ্যোগগুলো আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পরিবারগুলোকে শক্তিশালী করছে এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্নেহময় পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করছে। তিনি নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং বলেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করেছেন এবং মেয়েদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছেন।