ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ধামরাইয়ে বিএনপির অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতার সঞ্চালনা: স্থানীয় রাজনীতিতে তোলপাড়

ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতার সঞ্চালনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রাজাপুর আদর্শ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধামরাই-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবলীগের কার্যকরী সদস্য মাকসুদুল হক খান মিরাজ, যিনি স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতিতে একজন সক্রিয় যুবলীগ নেতার এমন ভূমিকা পালন করা নিয়ে খোদ দলের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন উঠছে।

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বনাম দলীয় আদর্শের সংঘাত হিসেবে দেখছেন। তবে আয়োজক কমিটি বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগত সরকারের অপরাধের বিচার হবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে হাতকড়া পরানো হবে: আইনমন্ত্রী

ধামরাইয়ে বিএনপির অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতার সঞ্চালনা: স্থানীয় রাজনীতিতে তোলপাড়

আপডেট সময় : ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতার সঞ্চালনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রাজাপুর আদর্শ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এই ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধামরাই-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবলীগের কার্যকরী সদস্য মাকসুদুল হক খান মিরাজ, যিনি স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতিতে একজন সক্রিয় যুবলীগ নেতার এমন ভূমিকা পালন করা নিয়ে খোদ দলের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন উঠছে।

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বনাম দলীয় আদর্শের সংঘাত হিসেবে দেখছেন। তবে আয়োজক কমিটি বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।