জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এমপি বলেছেন, বিএনপি নেতারা স্বীকার করেছেন যে বিগত পাঁচ মাসে দুর্নীতি ও ঘুষ বন্ধ হয়নি। তিনি এই বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে জানান, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণভোটের রায়ের আলোকে সংসদে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হলে, সমস্যার সমাধান রাজপথে আন্দোলন করেই আদায় করতে হবে।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাগপা ছাত্রকাফেলা আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট: সরকারের দায় ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে রাশেদ প্রধান বলেন, যে বালুর ট্রাকে বিএনপি অতীতে মজলুমদের বাধা দিত, সেই একই বালুর ট্রাকে তারা এখন বিরোধী দল ও মতকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি বালুর ট্রাকের বাজেটও খেয়ে ফেলেছে, যা তাদের তীব্র ক্ষুধাকেই নির্দেশ করে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হলে, এই ‘ক্ষুধার্ত দুর্নীতিবাজ বিএনপি’ও টিকে থাকতে পারবে না।
শিবির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা এখনো রয়েছেন, পাশাপাশি বিএনপিও দলীয়করণ করছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নিজেরাও নিজেদের দুর্বলতা সম্পর্কে অবগত নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, হামলা-মামলা বা জেল-জুলুমের ভয় দেখিয়ে তাদের দমিয়ে রাখা যাবে না, কারণ তারা জনগণের দাবি আদায় করে ছাড়বে।
জাগপা ছাত্রকাফেলার সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকীর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুর রহমান, ভিপি মুজিবুর রহমান, হাজী হাসমত উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকরাম হোসেন, ঢাকা মহানগর সভাপতি এস এম জিয়াউল আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির রহমান, যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, বাংলাদেশ ছাত্রমিশন সভাপতি সৈয়দ মো. মিলন, জুলাই ফোর্স-২০২৪ সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র আন্দোলন সভাপতি আবু দারদা সুজন, জুলাই-যোদ্ধা ও সংগঠক মো. গোলাম আযম, ছাত্রকাফেলা সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিম, শিক্ষা সম্পাদক আদিবা খানম, ধর্ম সম্পাদক মো. মাহবুব এবং ঢাকা মহানগর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 



















