বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানতে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছে চীন। দেশটির সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে এর প্রভাব কমাতে জ্বালানি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন এনে দাম বৃদ্ধির হার সীমিত করেছে। এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চালু থাকা জ্বালানি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার পর বেইজিংয়ের প্রথম বড় ধরনের হস্তক্ষেপ।
চীনের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন (এনডিআরসি) মধ্যরাত থেকে পেট্রোল ও ডিজেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বৃদ্ধি করলেও ‘সাময়িক নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণ করে তা সীমিত রেখেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রোলের দাম প্রতি মেট্রিক টনে ১,১৬০ ইউয়ান এবং ডিজেলের দাম ১,১১৫ ইউয়ান বাড়ানো হয়েছে। তবে, কোনো হস্তক্ষেপ না হলে এই বৃদ্ধি যথাক্রমে ২,২০৫ ইউয়ান এবং ২,১২০ ইউয়ান হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এই সমন্বয়কে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনডিআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ‘অস্বাভাবিক’ মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা কমানো, ভোক্তা ও শিল্পখাতের ওপর চাপ হ্রাস এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংস্থার এক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, বৈশ্বিক তেলের দাম আরও বাড়লে সরকার সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে কর ও ভর্তুকি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত কয়েক বছর ধরে চীন তাদের কৌশলগত তেলের মজুদ বৃদ্ধি, আমদানিতে বৈচিত্র্য আনা এবং সৌর, বায়ু ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের মতো পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে আসছে।
রিপোর্টারের নাম 






















