ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরাকি মিলিশিয়া নেতাকে ধরিয়ে দিতে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠী কাতাইব সাইয়্যেদ আল-শুহাদার মহাসচিব হাশিম ফিনিয়ান রহিম আল-সারাজিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি মার্কিন ডলার বা ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই বিশেষ ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

মার্কিন প্রশাসনের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অধীনে এই পুরস্কারের কথা জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আল-সারাজির নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ইরাকের সাধারণ নাগরিকদের হত্যা ছাড়াও ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা এবং কর্মীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে প্রাণঘাতী হামলার জন্য দায়ী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠীটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে আদর্শগতভাবে যুক্ত এবং তাদের দ্বারা সরাসরি সমর্থিত। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা কমাতে এবং তাদের নেটওয়ার্ক দুর্বল করতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে পোপ লিও’র শান্তির বার্তা

ইরাকি মিলিশিয়া নেতাকে ধরিয়ে দিতে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠী কাতাইব সাইয়্যেদ আল-শুহাদার মহাসচিব হাশিম ফিনিয়ান রহিম আল-সারাজিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি মার্কিন ডলার বা ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই বিশেষ ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

মার্কিন প্রশাসনের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অধীনে এই পুরস্কারের কথা জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আল-সারাজির নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ইরাকের সাধারণ নাগরিকদের হত্যা ছাড়াও ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা এবং কর্মীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে প্রাণঘাতী হামলার জন্য দায়ী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই গোষ্ঠীটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে আদর্শগতভাবে যুক্ত এবং তাদের দ্বারা সরাসরি সমর্থিত। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা কমাতে এবং তাদের নেটওয়ার্ক দুর্বল করতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।