দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর এবার নিজ দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে তিনি দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, কূটনীতিক এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ঈদের দিন সকালে প্রথমে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এসে তিনি উপস্থিত কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী, সাহিত্যিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নেবেন। যমুনায় আয়োজিত এই মিলনমেলায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পারিবারিক ও আবেগঘন কিছু কর্মসূচিও তাঁর সূচিতে রয়েছে। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষ করে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বাধীন বিএনপি বিপুল আসনে জয়লাভ করার পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রায় দেড় যুগ পর দেশের মাটিতে তাঁর এই প্রথম ঈদ উদযাপন ঘিরে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঈদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























