ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বুধবার ঘোষণা করেছেন যে, দেশটির সামরিক বাহিনীকে এখন থেকে যেকোনো জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার জন্য পূর্বের মতো বাড়তি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তিনি যৌথভাবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) ইরানের এমন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্মূল করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কাৎজ আরও বলেন, ‘আমরা তাদের সবাইকে নস্যাৎ করা এবং খুঁজে বের করে হত্যা করা অব্যাহত রাখব।’ তিনি দাবি করেন, গতকাল দিবাগত রাতে একটি বিমান হামলায় ইরানের গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হয়েছেন, যদিও এই তথ্যের সত্যতা এখনো ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও আগামী দিনগুলোতে আরও ‘চমক’ আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে, এই যুদ্ধ ইরান ও হিজবুল্লাহ উভয় ফ্রন্টেই অব্যাহত থাকবে। এর আগে ইসরাইল দাবি করেছিল যে, গত সোমবার রাতে তেহরানে এক বিমান হামলায় আলী লারিজানি ও তার পুত্র নিহত হয়েছেন। একই দিন তেহরানে দেশটির পৃথক হামলায় বাসিজ প্রধান জেনারেল গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন, যা পরবর্তীতে ইরান নিশ্চিত করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা নিহত হয়েছিলেন বলে ইসরাইলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। অন্যদিকে, ইরানের নেতাদের ওপর ইসরাইলের এই ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানের নেতাদের হত্যাকে ‘যুদ্ধের স্বাভাবিক আইনের বাইরে বেআইনি কর্মকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























