ইরানের প্রভাবশালী নিরাপত্তা ব্যক্তিত্ব এবং দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তেহরান। মঙ্গলবার ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়। এর আগে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির নিহতের সংবাদ নিশ্চিত করেছিল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ গত রাতে দাবি করেছিলেন যে, তাদের বিমান হামলায় লারিজানি নিহত হয়েছেন। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে ইরান এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করা হয়। লারিজানি ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কর্তৃক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব এবং সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
আলী লারিজানি ইরানের রাজনীতির এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ১২ বছর তিনি দেশটির পার্লামেন্ট বা মজলিসের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানের প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবেও বিশ্বমঞ্চে পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে একজন ‘মধ্যপন্থী রক্ষণশীল’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
লারিজানি পরিবারের প্রভাব ইরানের শাসনব্যবস্থায় অত্যন্ত গভীর। তার ভাই সাদেঘ লারিজানি বর্তমানে দেশটির অন্যতম শীর্ষ সালিশি সংস্থা ‘এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিল’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আলী লারিজানির এই প্রয়াণ ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















