তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশটিতে সপ্তাহে চার দিন কর্মদিবস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি থাকবে। টানা তিন দিন অফিস বন্ধ রাখা এড়াতেই সপ্তাহের মাঝামাঝি এই দিনটিকে ছুটির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিসানায়েকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে এই সংকট থেকে উত্তরণের আশাও রাখতে হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সপ্তাহে চার দিন খোলা থাকলেও হাসপাতাল, পুলিশ ও অভিবাসন বিভাগের মতো জরুরি সেবাগুলো নিয়মিত চালু থাকবে।
জ্বালানি ব্যবহারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চালকদের জন্য ‘জাতীয় জ্বালানি পাস’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন কোটা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য সপ্তাহে ১৫ লিটার এবং মোটরসাইকেলের জন্য মাত্র ৫ লিটার জ্বালানি তেল বরাদ্দ করা হয়েছে। যদিও সাধারণ মানুষ এই বরাদ্দকে প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য বলে মনে করছেন।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলার স্পর্শ করায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের মতো এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও বিভিন্ন সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















