ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ড্রোন হামলার শিকার আরব আমিরাতের শাহ গ্যাস ফিল্ড, উৎপাদন স্থগিত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র ‘শাহ গ্যাস ফিল্ডে’ ড্রোন হামলার পর সেটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবুধাবি থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সাওয়ার গ্যাস ফিল্ড হিসেবে পরিচিত। একই সময়ে ফুজাইরাহ বন্দরের তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

হামলার কারণে ফুজাইরাহ বন্দরে তেল লোডিং কার্যক্রম দুই দফায় বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বন্দর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানায় জাহাজটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই ধারাবাহিক হামলার প্রবাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার আশঙ্কায় দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি তাদের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামাসের তিন কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলি বাহিনীর

ড্রোন হামলার শিকার আরব আমিরাতের শাহ গ্যাস ফিল্ড, উৎপাদন স্থগিত

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র ‘শাহ গ্যাস ফিল্ডে’ ড্রোন হামলার পর সেটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবুধাবি থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সাওয়ার গ্যাস ফিল্ড হিসেবে পরিচিত। একই সময়ে ফুজাইরাহ বন্দরের তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

হামলার কারণে ফুজাইরাহ বন্দরে তেল লোডিং কার্যক্রম দুই দফায় বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বন্দর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানায় জাহাজটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই ধারাবাহিক হামলার প্রবাদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার আশঙ্কায় দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি তাদের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।